
হামাসের আক্রমণ ধরতে না পারাকে বড় ব্যর্থতা বলছেন ইসরাইলের গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক প্রধান ড্যানি ইয়োতোম। ইসরাইলের গোটা নিরাপত্তা কৌশলে ধস নেমেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। মোসাদের সাবেক এই প্রধান বলেছেন, সব কিছুতেই ভুল। শনিবার যখন গাজা থেকে হামাসের সদস্যরা হামলা চালাতে আসে, এ বিষয়ে কারও বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না। টুডে প্রোগ্রামে সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, হামলাগুলো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে ইরসাইলের প্রতিরক্ষা বিভাগ। ইসরাইলের দ্বিতীয় স্তুরের প্রতিরক্ষা এই হামলা ঠেকাতে যথেষ্ট ছিল না। গোয়েন্দা বাহিনীর ব্যর্থতাকে দায়ী করে ইসরাইলের এই রাজনীতিক বলেন, ঘটনার দিন ইসরাইলের বাহিনীর সদ্যসদের উপস্থিতি খুবই কম ছিল। যা মূলত গোয়েন্দা তথ্যের ব্যর্থতার ফসল। আমরা হামাসের অনেক মহড়া প্রত্যক্ষ করেছি। এদিকে গাজায় রোববার রাতভর ইসরাইলি বাহিনী তাণ্ডব চালিয়েছে। ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় সোয়া লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। খবর এপির। জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে— ইসরাইলের বিমান হামলায় এক লাখ ২৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে রোববার স্থানীয় সময় রাত ৯টা পর্যন্ত প্রায় ৭৪ হাজার গাজাবাসী ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটির স্কুলগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। ইসরাইলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত গাজার শতাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। হামাস ও ইসরাইলি বাহিনীর পালটাপালটি হামলার প্রভাবে গাজার ১ লাখ ২৩ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ে। রোববার রাতে গাজায় ইসরাইলের প্রতিশোধমূলক হামলায় ফিলিস্তিনের ১৫৯টি বেসামরিক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। আরও ১২শর বেশি আবাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।