Share

রাজধানীর পল্লবীসহ দেশব্যাপী বিএনপি’র চলমান কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিবর্ষণ, বনানীতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, ঢাকা আসার পথে মনোহরগঞ্জে বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুল তাঁর সহধর্মিনী, তাবিথ আউয়ালের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা এবং

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ এর সুনামগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে হামলা,অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে ছাত্রদল,যুবদল,কৃষক দল,স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
রোববার দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় নেতাকর্মীরা জেলাশহরের প্রেসক্লাবের মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ফয়জুল করিম ময়ুন, সহ সভাপতি মো.হেলু মিয়া, প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বকসী মিসবাহ উর রহমান, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক শামীম আহমেদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মারুফ আহমেদ, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান নিজাম, যুগ্ম সম্পাদক শামীম জাফর, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউর রহমান,সৈয়দ ফয়সল,স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ইসহাক চৌধুরী মামনুন,জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান, যুগ্ম সম্পাদক মুহিবুর রহমান সাজিব,সেকিম আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জুনেদ আহমদ,সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাবেদ আলী নাইম,পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব সুলতান আহমদ টিপু ও মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক জনি আহমদ।
প্রতিবাদ সমাবেশ বক্তারা বলেন –
বর্তমান কর্তৃত্ববাদী ও নিষ্ঠুর আওয়ামী সরকারের আমলে কারো জীবনেরই কোন নিরাপত্তা নেই, ঘর থেকে বেরিয়ে এসে আবার ঘরে নিরাপদে ফিরতে পারবে কি না সেটির কোন নিশ্চয়তা নেই।

আওয়ামী লীগ সরকার গণবিক্ষোভের ভয়ে বিএনপি’র ওপর পৈশাচিক আক্রমণের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে। এই কারণে তারা বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক কর্মসূচির ওপর বন্দুকের ভাষা ব্যবহার করছে। আর এই নিষ্ঠুর আক্রমণে শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও রেহাই পাচ্ছে না। সহিংস হামলা, গুলিবর্ষণ, মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারের এমনই হিড়িক শুরু হয়েছে যে, সরকার এর মাধ্যমে গণতন্ত্রকেই বন্দী করতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করার পাঁয়তারা করছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখন সরকারের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে । তারা এখন রাষ্ট্রের বাহিনী নয়, এরা আওয়ামী লীগের অবৈধ ক্ষমতার প্রহরী। আজ বেগম সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুল এবং তাবিথ আউয়ালকে গুরুতর আহত করার ঘটনা বর্তমান সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনে আরও একটি মাত্রা যোগ হলো। দানবীয় শক্তির এহেন হিংস্র বহিঃপ্রকাশের বিরুদ্ধে দেশবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। এই সরকারের বিদায় এখন নিশ্চিত। অবিলম্বে উল্লিখিত বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত বর্বর ঘটনার হামলাকারী আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহবান জানান ও হামলায় আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *