24 February 2024

মঙ্গলবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো হজের

Share

মিনায় মুসল্লিদের জড়ো হওয়ার মধ্য দিয়ে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও বুধবার (৬ জুলাই) রাতেই হাজিরা মিনার তাঁবুতে পৌঁছে যান। হজযাত্রীর সংখ্যা বিবেচনায় সৌদি মুয়ালিমরা আগের রাত থেকেই হজযাত্রীদের তাঁবুর শহর মিনায় নেওয়া শুরু করেন। হজযাত্রীরা বুধবার এশার পর থেকে মক্কার নিজ নিজ আবাসন থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় রওয়ানা হন।

মিনায় যাত্রার মধ্য দিয়ে হজ পালনের সূচনা হয়, যা শেষ হবে ১২ জিলহজ শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে। অন্যান্য দেশের হাজিদের সঙ্গে এবার বাংলাদেশের ৫৬ হাজার হাজিও রওয়ানা হন মিনার পথে। এ সময় গুঞ্জরিত হয় তালবিয়া-‘লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক। লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নালহামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়াল মূলক, লা শারিকা লাক।’

আরাফাতে হজরত মুহম্মদ (সা.) শেষ খুতবা বা চূড়ান্ত উপদেশ দিয়েছিলেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে পরিচিত। এই আরাফাতেই অনুষ্ঠিত হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।

সৌদি কর্তৃপক্ষ হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক উদ্যোগ দিয়েছে। সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের থাকার জন্য পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় ২৩টি হাসপাতাল এবং ১৪৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রস্তুত করেছে।

মিনায় হজযাত্রীদের চিকিৎসার জন্য চারটি হাসপাতাল ও ২৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজনে রোগীদের জন্য ১০০০টিরও বেশি শয্যা রয়েছে এবং বিশেষত হিটস্ট্রোক রোগীদের জন্য ২০০টিরও বেশি শয্যা রয়েছে।

ইসলামের বিধান মোতাবেক, ১০ জিলহজ মিনায় প্রত্যাবর্তনের পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, আল্লাহর উদ্দেশে পশু কুরবানি, মাথা মুণ্ডন করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত। এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করে প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ি তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

করোনার টিকাপ্রাপ্ত ১০ লাখ মুসলিম হজ পালনে মক্কায় সমবেত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮ লাখ ৫০ হাজার বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন। বাকিরা সৌদি আরবের নাগরিক।

সূত্র: আরব নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *