Share

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কুরবানপুর গ্রাম থেকে রাতের আঁধারে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলীকে গুমের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
জানা যায়, ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ২টার দিকে উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়নের কুরবানপুর গ্রাম থেকে বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলীকে ডিবি পুলিশের একটি দল তুলে নিয়ে যায়। এসময় ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী’র পরিবারের লোকেরা তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে অপহরণকারীরা বলে আমরা প্রশাসনের লোক। উপরের নির্দেশে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইয়াকুব আলীর পরিবার পরের দিন সকালে কুলাউড়া থানায় যোগাযোগ করলে তারা বলে এই নামে আমরা কোনো ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করিনি। সারা দিন থানার বিভিন্ন দপ্তরে দৌঁড়াদৌঁড়ি করেও ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলীর কোনো সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে কোনো উপায় না পেয়ে পরের দিন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের বিষয়টি অবগত করলে তারা যৌথভাবে ২২ ফেব্রুয়ারী পৌর শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন। প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জেলা বিএনপি এর সহ-সভাপতি এডভোকেট আবেদ রাজা, স্থানীয় বিএনপি এর নেতা কর্মী, কুলাউড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী বৃন্দ ও ইয়াকুব আলীর পরিবার, প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য চলাকালীন সময়ে ৩০/৪০ জনের আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম শফি আহমদ সলমান এর নির্দেশে অস্ত্র হাতে হামলা করে সভাস্থল চত্রভঙ্গ করে দেয়। তখন দু’পক্ষের মধ্যে দাওয়া পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮/১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আব্দুল কাদির নামে একজনের অবস্থা আশংকাজন হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থার তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পর নিহত আব্দুল কাদেরকে আওয়ামীলীগের কর্মী দাবি করে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ কে এম শফি আহমদ সলমান বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় ১৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামীরা হলেন (১) যুবদলের সভাপতি জাকির হুসেন (২) কুলাউড়া বিএনপি এর সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু (৩) ঘুম হওয়া ইয়াকুব আলীর ছেলে, জামিল আহমদ (৪) শওকতুল ইসলাম শকু (৫) শফিকুর রহমান সিতু (৬) সজল আহমদ (৭) রায়হান আহমদ (৮) করিম মিয়া (৯) আব্দুর রশিদ (১০) প্রিয়া বেগম (১১) শান্তি মিয়া (১২) শফিক উদ্দিন (১৩) আব্দুল আহাদ (১৪) রহিম উদ্দিন (১৫) কাওছার আহমেদ রুবেল।
কুলাউড়ায় ব্যবসায়ীকে গুম করায় প্রতিবাদ সমাবেশে হামলা, নিহত ১
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কুরবানপুর গ্রাম থেকে রাতের আঁধারে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলীকে গুমের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
জানা যায়, ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ২টার দিকে উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়নের কুরবানপুর গ্রাম থেকে বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলীকে ডিবি পুলিশের একটি দল তুলে নিয়ে যায়। এসময় ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী’র পরিবারের লোকেরা তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে অপহরণকারীরা বলে আমরা প্রশাসনের লোক। উপরের নির্দেশে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইয়াকুব আলীর পরিবার পরের দিন সকালে কুলাউড়া থানায় যোগাযোগ করলে তারা বলে এই নামে আমরা কোনো ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করিনি। সারা দিন থানার বিভিন্ন দপ্তরে দৌঁড়াদৌঁড়ি করেও ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলীর কোনো সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে কোনো উপায় না পেয়ে পরের দিন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের বিষয়টি অবগত করলে তারা যৌথভাবে ২২ ফেব্রুয়ারী পৌর শহরের উপজেলা পরিষদের সামনে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন। প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জেলা বিএনপি এর সহ-সভাপতি এডভোকেট আবেদ রাজা, স্থানীয় বিএনপি এর নেতা কর্মী, কুলাউড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী বৃন্দ ও ইয়াকুব আলীর পরিবার, প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য চলাকালীন সময়ে ৩০/৪০ জনের আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম শফি আহমদ সলমান এর নির্দেশে অস্ত্র হাতে হামলা করে সভাস্থল চত্রভঙ্গ করে দেয়। তখন দু’পক্ষের মধ্যে দাওয়া পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮/১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আব্দুল কাদির নামে একজনের অবস্থা আশংকাজন হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থার তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পর নিহত আব্দুল কাদেরকে আওয়ামীলীগের কর্মী দাবি করে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ কে এম শফি আহমদ সলমান বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় ১৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামীরা হলেন (১) যুবদলের সভাপতি জাকির হুসেন (২) কুলাউড়া বিএনপি এর সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু (৩) ঘুম হওয়া ইয়াকুব আলীর ছেলে, জামিল আহমদ (৪) শওকতুল ইসলাম শকু (৫) শফিকুর রহমান সিতু (৬) সজল আহমদ (৭) রায়হান আহমদ (৮) করিম মিয়া (৯) আব্দুর রশিদ (১০) প্রিয়া বেগম (১১) শান্তি মিয়া (১২) শফিক উদ্দিন (১৩) আব্দুল আহাদ (১৪) রহিম উদ্দিন (১৫) কাওছার আহমেদ রুবেল।